জানুয়ারি 30, 2026News, Community

বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের সাথে পার্টনারশিপে টিকটক চালু করেছে ইন-অ্যাপ নির্বাচন তথ্য কেন্দ্র

বাংলাদেশের আসন্ন জাতীয় নির্বাচন নিয়ে নির্ভরযোগ্য তথ্য দিতে এবং এই দেশের কমিউনিটিকে সাহায্য করার লক্ষ্যে আমরা টিকটক অ্যাপে একটি ‘ইলেকশন সেন্টার’ হাব চালু করেছি। এই হাবটি ২০২০ সাল থেকে বিশ্বজুড়ে ২০০টিরও বেশি নির্বাচনে টিকটকের নেওয়া ইন্টেগ্রিটি উদ্যোগের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে। টিকটক প্ল্যাটফর্মে ক্ষতিকর কনটেন্ট সরিয়ে দেয়ার পাশাপাশি ইউজারদের সঠিক তথ্যের সঙ্গে যুক্ত করতে আমাদের এই উদ্যোগ, যেটি টিকটকের বৃহত্তর লক্ষ্যেরই অংশ। @bangladeshecs সুষ্ঠু ও সুশৃঙ্খল ভোটগ্রহণে প্রিজাইডিং ও সহকারী প্রিজাইডিং অফিসারদের কাজগুলো এক নজরে দেখে নিন ♬ original sound - BangladeshECS ইলেকশন সেন্টার নিয়ে আমরা বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশনের সাথে কাজ করেছি। এই ফিচারের মাধ্যমে ইলেকশন সেন্টারে সহজে ভোট ও নির্বাচন সম্পর্কিত নির্ভুল সরকারি তথ্য পাওয়া যাবে। এছাড়া, দেশের নির্বাচনে কীভাবে ভোট দিতে হবে, ভুয়া খবর চেনার উপায় এবং নির্বাচন কমিশনের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটের লিংক এখানে দেওয়া থাকবে। টিকটকে নির্বাচন-সম্পর্কিত কিছু ভিডিও এবং সার্চে বিশেষ ট্যাগও যুক্ত করা হবে, যেগুলো থেকে সরাসরি ইলেকশন সেন্টারের তথ্যে যাওয়া যাবে।টিকটকের দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের হেড অফ পাবলিক পলিসি ও গভর্নমেন্ট রিলেশনস, ফেরদৌস মোত্তাকিন বলেন, “ইলেকশন সেন্টারের হাবটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যেন ইউজাররা যেকোনো সময় নির্ভরযোগ্য তথ্য পেতে পারেন। নির্বাচনসহ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা তুলে ধরতে টিকটকের বড় ভূমিকা রাখছে। আমরা টিকটক প্ল্যাটফর্মে শান্তিপূর্ণ এবং নিরাপদ ডিজিটাল পরিবেশ বজায় রাখতে চাই।”আমাদের এই উদ্যোগটি কনটেন্ট ও অ্যাকাউন্ট সম্পর্কে ইউজারদের স্পষ্ট তথ্য দেওয়ার প্রচেষ্টার একটি অংশ। টিকটকে নির্ভরযোগ্য মিডিয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর অ্যাকাউন্ট ও ভিডিওতে “ভ্যারিফাইড” ব্যাজ দেওয়া হবে। একইসাথে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) দিয়ে তৈরি কনটেন্টে লেবেল দেওয়া বাধ্যতামূলক হবে। ক্ষতিকর ভুয়া তথ্য বা মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা টিকটকে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। এটি নিশ্চিত করতে উন্নত প্রযুক্তি ও নিরাপত্তা কর্মীরা াকাজ করছেন এবং বাংলাদেশের জন্য একটি আলাদা ইলেকশন টাস্কফোর্সও গঠন করা হয়েছে।টিকটকের নীতিমালা অনুযায়ী ক্ষতিকর, ভুল তথ্য প্রচার নিষিদ্ধ করা হয় এবং যাচাই না হওয়া কনটেন্টে লেবেল দেয়া হয়। এমনকি এই কনটেন্টগুলো রিকমেন্ডের ক্ষেত্রে অনুপযুক্ত হিসেবে বিবেচনা করা হয়, অথবা শেয়ার করার আগে ইউজারদের পুনর্বিবেচনার জন্য সতর্ক করা হয়। কনটেন্টের সত্যতা যাচাই করতে এবং নীতিমালা সঠিকভাবে প্রয়োগের জন্য টিকটক বিশ্বজুড়ে ২০টিরও বেশি ফ্যাক্ট-চেকিং সংস্থার সঙ্গে কাজ করে।গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক বিষয় নিয়ে জনমত প্রভাবিত করার উদ্দেশ্যে টিকটকে একাধিক ভুয়া অ্যাকাউন্ট একসঙ্গে কাজ করলে তা নিষিদ্ধ করা হয়, এবং এমন নেটওয়ার্ক বন্ধ করে দেয়া হয়। ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করা বা বটের মাধ্যমে কনটেন্ট কৃত্রিমভাবে জনপ্রিয় করার চেষ্টাও আমাদের প্ল্যাটফর্মে নিষিদ্ধ। এই কার্যক্রমের তথ্য প্রতি মাসে আমাদের ট্রান্সপারেন্সি সেন্টারে প্রকাশ করা হয়। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম নিবন্ধিত দেশের বাইরে বিজ্ঞাপন দেয়া যায় না। তাই কেউ যদি বিদেশি দর্শকদের লক্ষ্য করে রাজনৈতিক বা সমসাময়িক বিষয়ে টিকটকে কনটেন্ট দেয়, তাহলে সেই কনটেন্টগুলোকেও সীমিত করে দেওয়া হয়।ইউজারদের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি ঠেকাতে আমরা এআই দিয়ে তৈরি কনটেন্টে (এআইজিসি) লেবেল দেওয়া বাধ্যতামূলক করেছি। এখানে ক্রিয়েটরদের জন্য আলাদা এআই দিয়ে তৈরি কনটেন্ট লেবেলিং টুল এবং সিটুপিএ কনটেন্ট ক্রেডেনশিয়াল প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়, যাতে অন্য প্ল্যাটফর্মে তৈরি এআই কনটেন্টও শনাক্ত করা যায়। তবে লেবেল থাকলেও ক্ষতিকর এআই কনটেন্ট নিষিদ্ধ। যেমন, এআই দিয়ে বানানো কনটেন্ট যেখানে জনপ্রিয় ব্যক্তিরা কোনো প্রতিনিধিকে সমর্থন করছেন, কারও কাছ থেকে সমর্থন পাচ্ছেন, অথবা হয়রানি ও বুলিংয়ের শিকার হচ্ছেন– এমন কনটেন্টের মাধ্যমে সাধারণ ভোটাররা বিভ্রান্তিতে পড়তে পারেন।একটি বিনোদনমূলক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে টিকটক শুরু থেকেই রাজনৈতিক বিজ্ঞাপন নিষিদ্ধ রেখেছে। রাজনৈতিক বিজ্ঞাপন সৃজনশীল ও স্বাভাবিক অভিজ্ঞতার সাথে মানানসই নয়। তাই সরকার, রাজনীতিবিদ বা রাজনৈতিক দলের অ্যাকাউন্টগুলো বিজ্ঞাপন বা আয় করার সুবিধা পায় না এবং তাদের জন্য আলাদাভাবে কঠোর নিয়মও রয়েছে। তবে নির্বাচন পরিচালনাকারী সরকারি সংস্থাগুলো ভোটারদের প্রয়োজনীয় তথ্য, যেমন ভোট দেওয়ার নিয়ম, নিবন্ধনের জায়গা ইত্যাদি জানাতে বিজ্ঞাপন দিতে পারে। নির্বাচন ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে আমরা এই কাজগুলোর নিয়মিত আপডেট টিকটকের গ্লোবাল ইলেকশন ইন্টিগ্রিটি হাবে প্রকাশ করতে থাকব।

আরও পড়ুন
খালি